২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

শিরোনাম
তেলবাহী লড়ি উল্টে গিয়ে আগুন লেগে এক জনের মৃত্যু। ভূমি বিষয়ক তথ্যাদি স্কুলের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করো হয়েছে-ভূমিমন্ত্রী মির্জা ফকরুলরা তারেক জিয়ার নির্দেশে জনগনের সাথে প্রতারনা ও তামশা করছে-আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিগ বার্ড ইন কেইজ: ২৫ শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুর গ্রেফতার  ঢাবি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ১ কোটি টাকার বৃত্তি ফান্ড গঠিত হাইকোর্টের রায়ে ডিন পদে নিয়োগ পেলেন যবিপ্রবির ড. শিরিন জয় সেট সেন্টার’ থেকে মিলবে প্রশিক্ষণ, বাড়বে কর্মসংস্থান: পীরগঞ্জে স্পীকার বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস আগামীকাল টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সাদি মোহম্মদ আর নেই

দেহরক্ষী ছাড়া চলে না ‘হাতিরাজা’

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

৭০ বছরের বুড়ো হাতি তিকিরিকে বাঁচানো যায়নি। তবে ৬৫ বছরের রাজাকে বাঁচাতে কোনো কসুর করেনি শ্রীলংকার সরকার। তার মেজাজও রাজার মতোই।

দু’পাশে দুই দেহরক্ষী ছাড়া এই হাতিকে কোনোদিন একা রাস্তায় দেখা যায়নি। শীতের রাতে তার একটু হাওয়া খাওয়ার ইচ্ছা হলে, তুরন্ত চলে আসে পুলিশ ফোর্স। পাহারা ২৪ ঘণ্টার। শ্রীলংকা গার্ডিয়ান। নাদুঙ্গামুয়া রাজা।

শ্রীলংকার ক্যান্ডিতে ভগবান বুদ্ধের সবচেয়ে ঐতিহ্যশালী টুথের মন্দিরের অন্যতম সম্পদ নাদুঙ্গামুয়া রাজা। মন্দিরের হাতিশালের সেরা হাতিও সে। উচ্চতায় সাড়ে ১০ ফুট এই দাঁতাল এখন শ্রীলংকার সবচেয়ে বড় হাতি। ক্যান্ডির ‘শ্রী ডালাডা পেরাহারা’ বা ‘এসালা পেরাহারা’ উৎসব তাকে ছাড়া ভাবাই যায় না।

কিন্তু দেহরক্ষী নিয়ে ঘোরে কেন রাজা? মন্দির কর্তৃপক্ষ তো বটেই, সরকারি কর্মকর্তারাও রাজার সুরক্ষায় সদা তৎপর। হর্ষ ধর্মবিজয় নামে এক সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, প্রথমে এতটা নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না।

এই দেহরক্ষীর ব্যাপারটা শুরু হয় ২০১৫ সালের পর থেকে। একটি মোটরবাইক প্রায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হাতির মুখোমুখি এসে পড়ে। যে কোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। হর্ষ জানিয়েছেন, সরকারিভাবে ঘোষণা না করা হলেও বেসরকারিভাবে রাজা দেশের জাতীয় সম্পদ।

বৌদ্ধ ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘এসালা পেরাহারা’য় মুখ্য ভূমিকা থাকে রাজার। তার গায়ে আঁচ এলে, মন্দির কর্তৃপক্ষের রোষের মুখে পড়তে হবে সরকারকে। তাই এত নিরাপত্তার বাঁধুনি। প্রতিবছর জুলাই এবং আগস্টে ক্যান্ডি সেজে ওঠে ‘এসালা পেরাহারা’ উৎসবে।

টুথের মন্দির থেকে শোভাযাত্রা করে বের হয় বিরাট মিছিল। আলোয় সেজে ওঠে গোটা শহর। এই মিছিলের অন্যতম আকর্ষণ হাতি। রাজকীয় ঝলমলে পোশাকে সাজিয়ে তারা প্যারেড করে শহরজুড়ে।

এই হাতিদের নেতৃত্ব দেয় নাদুঙ্গামুয়া রাজা। তার পিঠে বসানো থাকে বুদ্ধের মূর্তি। মন্দিরের পূজারিদের কাছে সে ঈশ্বরের দূত।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
     
Website Design and Developed By Engineer BD Network