১৯শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

শিরোনাম
সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নামে দূর্নীতির অভিযোগ উঠায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে-গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের শ্রদ্ধা গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল-আ.লীগ নেতৃবৃন্দ টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে তিন সচিবের শ্রদ্ধা আশুলিয়ায় নারী পোশাক শ্রমিককে শ্বাসরোধ করে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ । হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি নদীপাড়ে আতঙ্ক বিরাজ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সাভানা পার্ক পরিদর্শনে দুদক প্রতিনিধি দল, সাংবাদিকদের বাঁধা পার্ক কর্তৃপক্ষের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না তবুও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব সাভারের ট্রাক চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

তৈলাক্ত রাজনীতিতে ত্যাগী কর্মীরা হোচট খাবে… আবু শাকের তানিন

আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

পানি আর তেল কখনো এক হয়না । ঠিক তেমনি আদর্শ রাজনীতির সাথে তৈলাক্ত রাজনীতিও এক হওয়া সম্ভব নয় কিন্তু বর্তমানের যে অবস্থা আমাদের ভাবতেই বাধ্য করে তা হতে দেরি কই! বর্তমানের যে অবস্থা দেখলেই চোখে পড়বে অনেক আদর্শ নেতা আজ দলের বাইরে। আসলে ত্যাগীরা নিঃস্বার্থ হয়। কিন্তু ভাই মনে রাখবেন কয়লার খনি থেকেই কিন্তু “হীরা” উঠে আসে। আর তা তো ঠিক সময়ে সব ভাঙ্গার পরই আসে। ঠিক তেমনি সুসময়ে দূরে থাকলেও দুঃসময়ে এরাই হয় প্রথম সারির মানুষ। তাইতো এদের নামের পাশে বলতে ইচ্ছে করে “ ভাই দেখেন এরাই তো নেতা সুসময়ে অভিমানে দূরে সরে যায় আর দুঃসময়ে এরাই সবার আগে কাছে চলে আসে”। বর্তমানে যে রাজনীতি চলছে যত তেল মারবেন তত কাছে আসতে পারবেন। কিন্তু ত্যাগীরা তেল মারার মত এত বড় মহৎ কাজটি কখনো করতে পারে না। তাইতো তাদেরকে এখন সামনের সারিতে দেখা যায়না, দেখা যায় একদম পেছনে। বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক মাঠ এত তৈলাক্ত হয়ে পড়েছে যে, যে কেউ হোচট খেয়ে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা নিজ দলের দূর্নীতি দমনের শুদ্ধি অভিযান ঘোষনা দিলেন দলের ত্যাগী কর্মীরা আনেক খুশী হয়েছে। ত্যাগী কর্মীরা ভেবেছিল এবার হয়তো কর্মীদের মূল্যায়ন হবে। কিন্তু কর্মীরা বুঝতে পেরেছে শুদ্ধি অভিযানে দুই একটা বোয়াল মাছ ধরা পড়বে, হাঙ্গর বা তিমি এরা অতিরিক্ত তেলে একসময় ভেসে উঠাবে বা মারা যাওয়া ছাড়া কোন পথ নেই। কারন আমাদের নিজ দলের ৪০%সংসদ সদস্যরা ফেসে যাবে। দূর্নীতি দমন কমিশন গত দশ বছরে মিডিয়াকে দেখানোর জন্য কিছু কাজ করেছে। আমরা দেশরত্ন শেখ হাসিনার কর্মী, আমাদের মূল্যায়নের জন্য নেএী প্রতিদিনই সংসদ সদস্যদেরকে বলেন, কিন্তু তারা এক কানে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দেয়। তাই ত্যাগী কর্মীরা সারাদিন গলা ফাটিয়ে বললেও লাভ নেই, কারন থানা পুলিশ প্রশাসন সবই সংসদ সদস্যরা নিয়ন্ত্রণ করেন। তাই ত্যাগী কর্মীরা সত্য কথা বলা থেকে বিরত থাকবেন, আর কেউ যদি সত্য কথা বলার মত সৎ সাহস দেখান তাইলে তো বুঝেন সরাসরি লাল দেয়ালের ভিতর। আসলেই বর্তমান রাজনীতি এতটা তৈলাক্ত হয়ে পড়েছে যে সাধারন রাজনীতি একটু বেশীই অসাধারন হয়ে পরেছে। পরিশেষে শুধু একটি কথাই বলবো এই তৈলাক্ত রাজনীতির কারনেই অনেক আদর্শ নেতা-কর্মী দুরে সরে যাচ্ছে । দেশের কাছে এবং সাধারন মানুষের কাছে বর্তমান সময়ের রাজনীতি হয়ে দাড়াচ্ছে ঘৃনিত । তাইতো এই তৈলাক্ত রাজনীতি থেকে পুড়া তেল এর গন্ধ বের হচ্ছে। আর রাজনীতি হয়ে দাড়াচ্ছে পুড়া তেল এর মতো কালো। ভাই আমি মুজিব অদর্শের রাজনীতি ভালোবাসি, যেখানে থাকবেনা কোন তৈলাক্ত রাজনীতি।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
     
Website Design and Developed By Engineer BD Network