১৭ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

বরিশালে ভুয়া কাবিননামা দিয়ে যুবককে হয়রানীর অভিযোগ

আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক \ প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ইতোমধ্যে ৪টি মামলা দায়ের করেছে অন্যপক্ষ। এর মধ্যে আলোচিত মামলা হচ্ছে ভূয়া কাবিননামা দিয়ে যৌতুক মামলা দায়ের। যদিও এই কাবিননামা ভ‚য়া প্রমানিত হয়েছে। তাই এখন চাদাঁবাজীসহ নানা মামলা জড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বরিশাল নগরীর রুপাতলীর চান্দু মার্কেট এলাকার মীরাবাড়ির বাসিন্দা সৈয়দ আবু হোরায়রা লিটনের উপরে ঘটেছে।

সৈয়দ আবু হোরায়রা লিটন জানান, ‘৫ বছর ধরে বাকেরগঞ্জ উপজেলার কয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা মহিউদ্দিন কাঞ্চন মৃধার সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। অর্থ দিয়ে প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রনে রেখে তিনি আমাদের জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

তারই ধারাবাহিকতায় আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালানো হয়। নারায়নগঞ্জ জেলার এক নারীকে দিয়ে গত ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর একটি ভ‚য়া কাবিননামা তৈরি করায় প্রতিপÿরা। যার মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি যৌতুক মামলা দায়ের করে। তবে কাবিন ভ‚য়া হওয়ায় ওই মামলা থেকে আমি একই বছরের ১২ নভেম্বর জামিন লাভ করি। এরপর ভ‚য়া কাবিন ও যৌতুক মামলা দায়ের করায় মামলার বাদী পÿের আইনজীবী নারায়নগঞ্জের জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে জেলা আইনজীবী সমিতিতে একটি অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু কোন সুফল পাওয়া যায়নি।

এদিকে মহিউদ্দিন কাঞ্চন মৃধা ও তার দুই ছেলে জসিম মৃধা ও আলাউদ্দিন মৃধা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে ভুল তথ্য দিয়ে ওই জমির উপর সীমানা প্রাচীর নির্মানের প্লান নেয়। এ ঘটনায় আমারাও প্লান বাতিলের আবেদন করি। পরে বিসিসির সার্ভেয়ার জামিল হোসেন সার্ভে করে প্লান বাতিলের জন্য প্রতিবেদন দেয়। কিন্তু বিসিসির নির্দেশনা না শুনেই নানা কৌশলে ওই জমি দখলের পায়তারা চালায়।

নানাভাবে হুমকী দামকী দেয়। পরে আমরা কোতয়ালী থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে পুলিশ দুই পÿকে ডেকে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে। পরে সিদ্ধান্ত হয়, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির সমন্বয়ে জমি মেপে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই শর্ত অনুযায়ী পুলিশ দুই পÿর স্বাÿর গ্রহন করে। কিন্তু এলাকাবাসীর শালিস ও বৈঠক না মেনে চলে যায় মহিউদ্দিন কাঞ্চন মৃধা গং।

পরের দিন কোতয়ালী থানা পুলিশ গিয়ে জমিতে যে যেভাবে আছে সেই ভাবে থাকার নির্দেশনা দেয়। কিন্তু পুলিশের এই নির্দেশনা না মেনে মহিউদ্দিন কাঞ্চন মৃধা গং সীমানা প্রাচীর নির্মানের চেষ্টা চালায়। সেখানে আমরা বাধাঁ দিতে গেলে প্রশাসন ম্যানেজ করে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি চাদাঁবাজীর অভিযোগ দেয়। এদিকে সীমানা প্রাচীর নির্মান শুরু করে।

এদিকে পুলিশ চাদাঁবাজী মামলায় আমাদের বাড়ির পুরুষদের ঘর ছাড়া করেছে। বাধ্য হয়ে বাড়ির নারীরা সীমানা প্রাচীর নির্মানে বাধাঁ দিতে গেলে পুলিশ প্রশাসন আমাদের বাড়ির ৫ জন নারীকে চাদাঁবাজী মামলায় আটক করে থানায় নিয়ে যায়। আটকের পর রাত ১২ টায় চাদাঁবাজী মামলা রুজু করে। যদিও মামলার নথিতে বিকেল ৪টায় মামলা রুজু হয়েছে বলে উলেøখ করে। এদিকে সীমানা প্রাচীর নির্মা করে ফেলে। অপরদিকে আমরা এডিএম কোর্টে মামলা করলে সেই সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়।’

এব্যাপারে কোতয়ালী মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলাম বলেন, ‘কোটের আদেশে সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়েছে। সেই অবস্থাই রয়েছে। এছাড়া চাদাঁবাজী মামলায় যাদের আটক করা হয়েছিল তারা কোট থেকে জামিন নিয়ে বের হয়েছে।’ ##

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন