১৭ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

অর্থ কেলেংকারী : অক্সফোর্ড মিশনের ২ ফাদারের সাথে বৈঠকে নারাজ শিক্ষকরা

আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ অর্থ কেলেংকারীর পর বরিশালের ঐতিহ্যবাহি অক্সফোর্ড মিশন হাই স্কুলের শিক্ষকরা মিশনের দুই ফাদারের সাথে বৈঠকে নারাজ। যার কারণে তারা ইতোমধ্যে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে চিঠি দিয়ে তাদের অবস্থানের কথা জানিয়েছে। এদিকে দুই ফাদারের দুই স্কুল থেকে প্রায় কোটি টাকা উত্তোলনের ঘটনায় পুরো মিশন জুড়ে মিশ্র প্রতিক্রয়ার সৃষ্টি হয়। ১৬ জন শিক্ষক কর্মচারীর স্বাক্ষর সম্ভলিত পত্রে বলা হয়, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ব্যতীত অন্য কারো সাথে সভায় বসতে আমরা আগ্রহী নই। অতীতের ন্যায় প্রধান শিক্ষকের সাথে সভায় বসতে আমরা রাজি। উল্লেখ্য মিশনের ফাদার ফ্রান্সিস পান্ডে ও ফাদার জন হালদার স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কোন কাজ করেনি। বরং তারা স্কুলের ফান্ড দিয়ে টাকা নিয়ে মিশনের ফান্ড গঠনের আগ্রহী। যা সম্পূন্নরূপে বেআইনী। শিক্ষকরা লিখিত বক্তব্যে রলেন, স্কুলের অর্থ দিয়ে শুধু মাত্র শিক্ষার্থী, শিক্ষক বা বিদ্যালয়ের উন্নয়ন হবে। আমরা পুরাতন ২০০৯ সালের জাতীয় স্কেল অনুসারে প্রভিডেন্ট পেয়ে আসছি। আমরা বর্তমান জাতীয় স্কেল ২০১৫ অনুসারে প্রভিডেন্ট প্রাপ্তির জন্য কয়েক বছর ধরে ম্যানেজিং কমিটিতে আবেদন জানালেও ফাদারের গাফলিতে ও একক সিদ্ধান্তে আমাদের বঞ্ছিত করেছে। পাশাপাশি তারা চালুকৃত গ্রাচ্যুইটি ফান্ড বন্ধ করে দেন। যদিও এই ফান্ডে ৬ লক্ষাধিক টাকা রয়েছে। এ ছাড়াও শিক্ষকদের খাতা মূল্যায়নে সন্মানী, ভর্তি পরীক্ষার ফরম বিক্রির টাকা ও শিক্ষা সফরের টাকা নিয়ে ছয়-নয় করেন ফাদাররা। আমরা তাদের সাথে কোন বৈঠকে বসতে রাজি নই।
প্রসঙ্গত, বিতর্কিত ফাদার জন হালদার এর কুট-কৌশলে ফাদার ফান্সিস পান্ডে স্কুল ফান্ড থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মেয়াদে মোট ৭৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৭৬ টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে অক্সফোর্ড মিশন হাই স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীরা ফাদার ফ্রান্সিস ও জন এর বিরুদ্ধে ডেপুটি মডারেটর বিশপ সৌরভ ফলিয়া কাছে গত ১৮ নভেম্বর সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। একই ভাবে অক্সফোর্ড মিশন হাই স্কুলের ফান্ড থেকে ২২ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। এসব দুর্নীতির সংবাদ রিপোর্ট একাত্তরে প্রকাশের পর দুই ফাদার শিক্ষকদের সাথে বৈঠকে বসতে চেয়েছেন। ##

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন