৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

বাবুগঞ্জে স্কুল ছাত্রের গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়েছে সহপাঠিরা

আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বাবুগঞ্জ(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ বরিশালের বাবুগঞ্জে মোবাইল সেট বিক্রির পাওনা টাকা চাওয়ার জের ধরে মোহনগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের এক স্কুল ছাত্রের গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে সহপাঠীরা। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার পশ্চিম বকশিচর সুইজ গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিদগ্ধ স্কুল ছাত্র মোঃ মাহফুজ ঢালী(১৩) উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের পশ্চিম বকসিচর ৫নং ওয়ার্ডের আবুল কালাম ঢালীর ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে শনিবার সন্ধ্যায় একই এলাকার এবায়দুল হকের ছেলে মোঃ তামিম(১৩) ও আবুল বাশার বেপারীর ছেলে মোঃ বাপ্পি বেপারী (১১) মাহফুজকে সুইজ গেট এলাকার অজুফার চায়ের দোকান থেকে ডেকে মিজানের দোকানের পিছনে নিয়ে যায়। সেখানে বসে তামিমের সাথে মাহফুজের পাওনা ৩শত টাকা নিয়ে বাকবিতন্ডের এক পর্যায় তামিম দোকান থেকে কেরোসিন নিয়ে মাহফুজের গায়ে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় মাহফুজ চিৎকার দিলে স্থানীয়রা ছুটে আসলে সহপাঠীরা পালিয়ে যায়। এতে ঝলসে যায় তার শরীল। স্থানীয়রা ও পরিবারের লোকজন সংবাদ পেয়ে আহত স্কুল ছাত্র মাহফুজকে বরিশাল শেবা-চিম হাসপাতালের র্বান ইউনিটে ভর্তি করেন।সংবাদ পেয়ে এয়ারপোট থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন । মাহফুজের পিতা আবুল কালাম ঢালী এ প্রতিনিধিকে বলেন তার ছেলে এবায়দুল হকের ছেলে তামিমের কাছ থেকে ৬শত টাকায় একটি পুরাতন মোবাইল সেট ক্রয় করে নগদ ৩শত টাকা দেয়। বাকী ৩শত টাকা দিতে বিলন্ব করায় তামিম ও বাপ্পি তার ছেলের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে। অপরদিকে তামিমের পিতা এবায়দুল হক বলেন দুই সহপাঠী মোহনগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের ৭ম শ্রেনীতে ও বাপ্পি ৫ম শ্রেনীতে লেখাপড়া করছে। শনিবার সন্ধ্যায় সুইজ গেট এলাকার মিজানের দোকানে পিছনে গিয়ে শুকনা পাতায় কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দূষ্টামির এক পর্যায় মাহফুজের গায়ের জামায় ওপর পরে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাতে মাহফুজ ঢালী অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। এ ব্যাপারে এর্য়াপোট থানার ওসি এস,এম জাহিদ বিন আলম বলেন আসল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন। এদিকে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে আগুনে ঝলসে যাওয়া স্কুলছাত্র মাহফুজ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
   
Website Design and Developed By Engineer BD Network