২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

কে হবেন বরিশাল আওয়ামী লীগের কান্ডারী

আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদের জন্য চারজনের নাম চাউর হলেও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লার একক নাম শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে ঘিরেও চলছে বড় আয়োজন। সম্মেলন স্থান নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানসহ নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে তোরণ। সাঁটানো হয়েছে বিলবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার-ফেস্টুন। সম্মেলন ঘিরে পুরো নগরীতে সাজসাজ রব পড়েছে।

সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী রবিবার সকাল ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধান বক্তা থাকবেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ।

জানা যায়, এবারে সম্মেলনে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ পেতে চার নেতা লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। সভাপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হচ্ছেন বর্তমান সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সদর আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক, সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রয়াত মেয়র শওকত হোসেন হিরণের পত্নী জেবুন্নেছা আফরোজ এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ কে এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

জানা যায়, সর্বশেষ মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর। ওই সম্মেলনে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শওকত হোসেন হিরণ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে ২০ অক্টোবর মহানগর আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়। ওই কমিটিতে অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালকে সভাপতি, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়।

২০১৪ সালে শওকত হোসেন হিরণ মারা যাওয়ার পর মহানগর আওয়ামী লীগ অনেকটা স্তমিত হয়ে যায়। বরিশাল সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ মহানগর আওয়ামী লীগের হাল ধরে ফের উজ্জীবিত ও সুসংগঠিত করে তোলেন।

কাউন্সিল উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। সম্মেলনে ২৫ হাজার কাউন্সিলর, ডেলিগেট, কর্মী-সমর্থক উপস্থিত থাকবেন।সভাপতি আর সম্পাদক নির্বাচিত হবেন সম্মেলনে আসা কাউন্সিলদের ভোট ও সমর্থনের ওপর। এ বিষয়ে কাউন্সিল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যদি ভোট হয় তবে ৩৭১ জন ভোটার ভোট দেবেন। ব্যালট নাকি কণ্ঠ ভোটে হবে, তা এখনো বলা যাচ্ছে না। মহানগর আওয়ামী লীগের বাইরে থেকে এসে কারো নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ নেই বলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
   
Website Design and Developed By Engineer BD Network