১২ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

শিরোনাম
চরফ্যাশনে ২৮ হাজার পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা : নেই স্বাস্থ্যবিধি বালাই জলবায়ূ পরিবর্তনে সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা বাড়লেও বাড়েনি চরফ্যাশনের বেড়ী বাধের উচ্চতা ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ করে শ্রমিকদের সাথে সহনশীল আচরণ করুন – পীর সাহেব চরমোনাই কুয়াকাটার সৈকতে ভেসে এসেছে বিশাল এক মৃত ডলফিন গ্রাম পুলিশ হত্যাকান্ডের পর অসহায় পরিবারের পাশে নেই প্রশাসন পাল্টে যাচেছ চরফ্যাশনের গ্রামীণ জনপদ : সন্ধ্যা নামলেই সৌর বাতি সুগন্ধা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে চলমান প্রকল্প পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশালে দেড় হাজার কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা সামগ্রী বিতরণ আমতলীর বারী মুগডাল-৬ জাপানে রপ্তানী বন্ধ

বিজয় দিবসে চাদাঁবাজি নিয়ে ইউএনও ‘র হয়রানী

আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ম্যাগাজিন প্রকাশের নামে এক ব্যবসায়ীর কাছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা চাঁদা চেয়েছিলেন বাহুবল ইউএনও আয়েশা হক। মোটা অংকের ওই চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে হয়রানিমূলক অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করেছে প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন উপজেলার বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়েশা হক বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি করেন।এর মধ্যে একজন বাহুবল উপজেলা ব্রিকস ফিল্ড সমিতির সভাপতি হাজী মো. দুলাল মিয়া। আয়েশা হক এই ব্যবসায়ীর কাছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।

জানা গেছে, টাকা না দেয়ায় গত দুদিন ধরে ইউএনও আয়েশা হক তার ব্যবহৃত সরকারি মোবাইল ফোন দিয়ে দুলাল মিয়ার কাছে বারবার ফোন করেন। দুলাল মিয়া তার (ইউএনও) ফোন রিসিভ না করায় তিনি সিওকে দিয়েও একাধিকবার ফোন করিয়েছেন। কিন্তু এত টাকা দেয়ার সামর্থ্য না থাকায় দুলাল মিয়া তাদের ফোন রিসিভ করেননি।

দুলাল মিয়া আরও অভিযোগ করেন, টাকা না দেয়ার কারণে ব্যবসায়ীদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন আয়েশা হক। গতকাল রোববার বিকালে বিভিন্ন ব্রিকস ফিল্ডে অভিযান চালান তিনি। এ সময় মোটা অংকের টাকা জরিমানা করা হয়।

বাহুবল উপজেলা ব্রিকস ফিল্ড মালিক সমিতির সভাপতি হাজী মো. দুলাল মিয়া বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমার কাছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু এত টাকা আমার পক্ষে দেয়া সম্ভব না। তাই তিনি বারবার ফোন করলেও আমি ফোন রিসিভ করিনি। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। যার ফলে তিনি আমার ইটভাটা ‘সামিম ব্রিকস’এ অভিযান চালান।

‘আমার প্রতিষ্ঠানের সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। এছাড়াও আমার আত্মীয়-স্বজনদের ইটভাটায় মোটা অংকের টাকা জরিমানা করেন।’ এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করবেন বলেও তিনি জানান।

দুলাল মিয়া বলেন, ইউএনও আয়েশা হক শুধু বিজয় দিবস উপলক্ষে চাঁদা দাবি করেননি। বিভিন্ন সময় তিনি উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টি করেন। তুচ্ছ বিষয় নিয়ে অসহায় দরিদ্র শ্রমিকদের জেল-জরিমানা প্রদান করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে শ্রমিক নেতা আছকর আলী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার জন্য আমার মোবাইল দিয়ে ইউএনও দুলাল মিয়ার কাছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা চান।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়েশা হক বলেন, ‘হবিগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধোদের নিয়ে একটি বিশেষ ম্যাগাজিন প্রকাশ করার জন্য আমরা বিজ্ঞাপন বাবদ টাকা চেয়েছি। কোনো ধরনের চাঁদা দাবি করা হয়নি। এছাড়া উন্মুক্ত সভার মাধ্যমে এই টাকা চাওয়া হয়েছিল।’ তবে গত দুদিন ব্যবসায়ী দুলালের কাছে একাধিক ফোন করার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের দাওয়াত দেয়ার জন্য ফোন করছিলাম। সব সময় টাকার জন্য ফোন করেছি সেটা ঠিক নয়

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
 
Website Design and Developed By Engineer BD Network