১১ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
চরফ্যাশনে ২৮ হাজার পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা : নেই স্বাস্থ্যবিধি বালাই জলবায়ূ পরিবর্তনে সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা বাড়লেও বাড়েনি চরফ্যাশনের বেড়ী বাধের উচ্চতা ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ করে শ্রমিকদের সাথে সহনশীল আচরণ করুন – পীর সাহেব চরমোনাই কুয়াকাটার সৈকতে ভেসে এসেছে বিশাল এক মৃত ডলফিন গ্রাম পুলিশ হত্যাকান্ডের পর অসহায় পরিবারের পাশে নেই প্রশাসন পাল্টে যাচেছ চরফ্যাশনের গ্রামীণ জনপদ : সন্ধ্যা নামলেই সৌর বাতি সুগন্ধা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে চলমান প্রকল্প পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশালে দেড় হাজার কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা সামগ্রী বিতরণ আমতলীর বারী মুগডাল-৬ জাপানে রপ্তানী বন্ধ

কুলির ছেলে থেকে কোটিপতি

আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ঘাসজমি থেকে তারকার স্তরে উত্থান ছিল ধূমকেতুর গতিতে। কিন্তু খ্যাতি দীর্ঘস্থায়ী হল না। বছর দু’য়েক আগে যে দ্রুততায় আলোর বৃত্তে উঠেছিলেন, সেভাবেই প্রায় হারিয়ে গেলেন অন্ধকারে। ভারতের প্রতিশ্রুতিমান ক্রিকেটার থাঙ্গারাসু নটরাজন এখন প্রায় বিস্মৃত।

দরিদ্র তামিল পরিবারে নটরাজনের জন্ম ১৯৯১ সালের ২৭ মে। তামিলনাড়ুর সালেম থেকে ৩৬ কিলোমিটার দূরে চিন্নপ্পমপট্টিতে। তার বাবা ছিলেন দিনমজুর। কুলির কাজ করতেন শাড়ি তৈরির কারখানায়। মা রাস্তার ধারে এক চিলতে দোকানে খাবার বিক্রি করতেন।

নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যাওয়ার এ রকম এক পরিবারে নটরাজনের বেড়ে ওঠা পাঁচ ভাইবোনের সঙ্গে। ২০ বছর বয়স পর্যন্ত তার ক্রিকেটীয় অভিজ্ঞতা বলতে ছিল অলিগলিতে টেনিস বল আর ইটের উইকেট। পাড়ার ক্রিকেট খেলার সময় ক্রিকেটার এ জয়প্রকাশের চোখে পড়ে যান নটরাজন। তিনি চেন্নাইয়ে নিয়ে যান নটরাজনকে। সেখানেই জীবনে প্রথম প্রথাগত ক্রিকেট-প্রশিক্ষণ পান তিনি।

বাঁ হাতি পেসার হিসেবে সুযোগ পান জলি রোভার্স ক্লাবে। এরপর ডাক আসে তামিলনাড়ু প্রিমিয়ার লিগ থেকে। ডিন্ডিগুল ড্রাগনস-এর হয়ে তার পারফরম্যান্স নজর কাড়ে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নটরাজনের অভিষেক ২০১৫ সালে, পশ্চিমবঙ্গের বিরুদ্ধে, কলকাতায়। এখনও পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৬টি ম্যাচে তার মোট উইকেট সংগ্রহ ৪৮টি। রান করেছেন ২৮।

তামিলনাড়ু প্রিমিয়ার লিগের ৭ ম্যাচে ১০ উইকেট এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম্যান্স দেখে তাকে বলা হত ‘ভারতের মুস্তাফিজুর রহমান’। ২০১৭ সালে তাকে তিন কোটি টাকার বিনিময়ে দলে নেয় আইপিএল ফ্রাঞ্চাইজি কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। সে বছর তার বেস প্রাইস ছিল মাত্র ১০ লাখ টাকা। কিন্তু প্রত্যাশা জাগিয়েও জীবনের প্রথম আইপিএল অভিযানে ব্যর্থ হন নটরাজন। মোট ৬টি ম্যাচে তার প্রাপ্তি মাত্র ২টি উইকেট।

কনুইয়ে চোটের জন্য ২০১৭-১৮ মৌসুমে রনজি খেলতে পারেননি নটরাজন। তারপরও সুযোগের ভাগ্য তাকে বিমুখ করেনি। ২০১৮ সালের আইপিএলে তাকে নেয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তবে এবার নিলামে তার দর উঠেছিল মাত্র ৪০ লাখ টাকা। ভিত্তি মূল্য ৪০ লাখেই তাকে দলে নেয় হায়দরাবাদ। নিজের আইপিএলের দ্বিতীয় মৌসুমে একটা ম্যাচও খেলেননি নটরাজন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাকে সন্তুষ্ট থাকতে হয় রিজার্ভ বেঞ্চে বসেই।

আইপিএল ২০১৯ -এও নটরাজন আছেন সানরাইজার্স হায়দারবাদেই। তাকে দলেই রেখে দিয়েছিল হায়দরাবাদ। নটরাজন বলেছিলেন, আইপিএল তার জীবন আমূল পাল্টে দিয়েছে। কিন্তু অন্ধকার থেকে আলোয় এসেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
 
Website Design and Developed By Engineer BD Network