১১ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
চরফ্যাশনে ২৮ হাজার পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা : নেই স্বাস্থ্যবিধি বালাই জলবায়ূ পরিবর্তনে সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা বাড়লেও বাড়েনি চরফ্যাশনের বেড়ী বাধের উচ্চতা ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ করে শ্রমিকদের সাথে সহনশীল আচরণ করুন – পীর সাহেব চরমোনাই কুয়াকাটার সৈকতে ভেসে এসেছে বিশাল এক মৃত ডলফিন গ্রাম পুলিশ হত্যাকান্ডের পর অসহায় পরিবারের পাশে নেই প্রশাসন পাল্টে যাচেছ চরফ্যাশনের গ্রামীণ জনপদ : সন্ধ্যা নামলেই সৌর বাতি সুগন্ধা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে চলমান প্রকল্প পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশালে দেড় হাজার কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা সামগ্রী বিতরণ আমতলীর বারী মুগডাল-৬ জাপানে রপ্তানী বন্ধ

পৌনে দুই কোটি টাকার গার্ডার ব্রিজ নির্মাণে বাধাঁ : ঠিকাদারের লোকজনকে মারধর

আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ পৌনে ২ কোটি টাকার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ব্রিজ নির্মাণকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজনকেও এলজিইডি ঝালকাঠীর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় প্রাঙ্গনে মারধর করা হয়েছে। এঘটনায় বরিশাল রেঞ্জ উপ-মহা পুলিশ পরিদর্শক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে নিরাপত্তা প্রদানের নিশ্চয়তা চেয়ে আবেদন করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স হিমানী ইন্টারপ্রাইজ, বরিশাল।
জানা গেছে, ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলার হিমানন্দনকাঠী আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের জন্য সর্বনি¤œ দরদাতা হিসেবে ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকার এই কাজটি পেয়েছে হিমানী ইন্টারপ্রাইজ। নিয়মানুযায়ী এনওএ রিসিপ্ট করে যথাসময়ে ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদান করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কাজের চুক্তি সম্পাদনের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান থেকে তিন দিন এলজিইডি অফিসে প্রতিনিধি যান। কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলী অফিসে নেই বলে তাকে চুক্তি সম্পাদন করতে দেয়া হয়নি।

পাশাপাশি বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে সেখানকার অন্যান্য ঠিকাদাররা। পরে বাধ্য হয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের দেলোয়ার, অরুন ও মজিদকে ৩০ ডিসেম্বর ঝালকাঠী এলজিইডি অফিসে পাঠানো হয়। কিন্তু সৈয়দ মিলন নামে এক ঠিকাদার তার দলবল নিয়ে ওই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মারধর করে স্টাম্প ও দুইটি ব্যাংক চেকের পাতা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পাশাপাশি এলজিইডি দপ্তরে আসলে তাদের হত্যা করার হুমকি দেন।
এঘটনায় ঠিকাদার সাইদ আহম্মেদ নিরাপত্তা চেয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি বরাবর আবেদন করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা পুলিশ মহা-পরিদর্শক, ঝালকাঠী পুলিশ সুপার বরাবর আবেদন পাঠান। এমনকি চুক্তি সম্পাদনের জন্য এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকেও পত্র প্রদান করা হয়।
অভিযুক্ত ঠিকাদার সৈয়দ মিলন জানান, ‘এধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা’। ঠিকাদার সাইদ আহম্মেদ জানান, চুক্তি সম্পাদন ও কাজের ওয়ার্ক অর্ডার পাওয়ার জন্য তারা রেজিস্ট্রিকৃত চিঠিও এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর পাঠিয়েছেন। কিন্তু এতে কোন সুফল আসেনি।
তবে নির্বাহী প্রকৌশলী রুহুল আমিন বলেন, ‘আমার কাছে ওই ঠিকাদার এখনও আসেননি। তাই কাজের চুক্তি ও ওয়ার্ক অর্ডার দিতে পারিনি’। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, মারধরের ঘটনা আমার জানা নেই। আমার দপ্তরের মধ্যে এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি।

এব্যাপারে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সচিন চন্দ্র হালদার বলেন, ‘আমি একটি চিঠি পেয়েছি। সেই চিঠির আলোকে নির্বাহী প্রকৌশলীকে বিধি মেনে কার্য সম্পাদনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছি। তবে নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন ঠিকাদার তার দপ্তরে যাননি। ফলে চুক্তি সম্পাদন ও ওয়ার্ক অর্ডার প্রদান করা যায়নি’। ##

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
 
Website Design and Developed By Engineer BD Network