১১ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ করে শ্রমিকদের সাথে সহনশীল আচরণ করুন – পীর সাহেব চরমোনাই কুয়াকাটার সৈকতে ভেসে এসেছে বিশাল এক মৃত ডলফিন গ্রাম পুলিশ হত্যাকান্ডের পর অসহায় পরিবারের পাশে নেই প্রশাসন পাল্টে যাচেছ চরফ্যাশনের গ্রামীণ জনপদ : সন্ধ্যা নামলেই সৌর বাতি সুগন্ধা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে চলমান প্রকল্প পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশালে দেড় হাজার কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা সামগ্রী বিতরণ আমতলীর বারী মুগডাল-৬ জাপানে রপ্তানী বন্ধ কুয়াকাটার ধুলাসার ইউপি চেয়ারম্যান : মসজিদের টাকায় পারিবারিক কবরস্থান নির্মাণ ডিআরইউ’র সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান স্বেচ্ছাসেবক লীগের

ভিন্নমত পোষণ করলেই নিস্তব্ধ করে দেওয়া হয়: ফখরুল

আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

দেশে আজ কেউ ভিন্নমত পোষণ করলেই তাকে স্তব্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও জাতীয় অধ্যাপক তালুকদার মনিরুজ্জামান মিঞার স্মরণ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তালুকদার মনিরুজ্জামান সাহেবরা সবসময় আসেন না। পৃথিবীতে খুব ক্ষণজন্মা পুরুষ তারা। অল্প সময়ের ক্ষেত্রে তারা তাদের কী অবস্থা সেটা জানান দিয়ে যান। তাকে নিয়ে অনেক কথা অনেক স্মৃতি আছে সেদিকে না গিয়ে এটুকু বলতে চাই, তালুকদার মনিরুজ্জামান সাহেবের চলে যাওয়া দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আজকে যে রাষ্ট্র আমরা সবাই মিলে তৈরি করেছি এটাতো একটা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এ বিষয়টি তালুকদার মনিরুজ্জামান সাহেবের নিশ্চয় একটা দুঃখের কারণ ছিল। তিনি খুব একটা জনসম্মুখে আসতেন না, জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন তার অন্যতম কারণ ছিল এটা।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আজকে আমরা যে রাষ্ট্র তৈরি করেছি সেখানে মানুষের কোনো অধিকার নেই। সাধারণ মানুষ একেবারে সাধারণ হয়ে গেছে। যে চিন্তা নিয়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম সেই চিন্তা, চেতনা, ধারণাগুলো এখন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আজকে যারা শাসকগোষ্ঠী তারা খুব সচেতনভাবেই দেশটাকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করছে। খুব দুঃখ হয় যখন দেখি দেশের যারা গুণী মানুষ আছেন তাদের কথা বলার কারণে কারাগারে পাঠানো হয়। যদিও তারা কোনো রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকেন না। তার এমন একটি উদাহরণ ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। তাকে শুধু ভিন্নমত পোষণ করার কারণে কারাগারে নিয়ে নিদারুণভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। যারা লেখেন, কথা বলেন এবং শুভ চিন্তা করতে চান আজকে তাদেরও পর্যদুস্ত করা হচ্ছে। দেশে আজ যারা ভিন্নমত পোষণ করতে চায়, ভিন্ন কথা বলতে চায় তাদের বিভিন্নভাবে নিশ্চিহ্ন করা হচ্ছে, ছিন্ন করা হচ্ছে, নিস্তব্ধ করে ফেলা হচ্ছে। এরমধ্যেই আমাদের উঠে দাঁড়াতে হবে। কথা বলতে হবে।’

ঢাকা বিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলী খান, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, ড. মাহবুব উল্লাহ, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন প্রমুখ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
 
Website Design and Developed By Engineer BD Network