৯ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

শিরোনাম
পাল্টে যাচেছ চরফ্যাশনের গ্রামীণ জনপদ : সন্ধ্যা নামলেই সৌর বাতি সুগন্ধা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধে চলমান প্রকল্প পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশালে দেড় হাজার কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা সামগ্রী বিতরণ আমতলীর বারী মুগডাল-৬ জাপানে রপ্তানী বন্ধ কুয়াকাটার ধুলাসার ইউপি চেয়ারম্যান : মসজিদের টাকায় পারিবারিক কবরস্থান নির্মাণ ডিআরইউ’র সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান স্বেচ্ছাসেবক লীগের কুয়াকাটায় মানবেতর জীবনযাপন করছে কয়েক হাজার হোটেল কর্মচারী ঝিনাইদহে টাকা আদায় করতে যুবককে মারধর, মিথ্যা মামলায় বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা! ৬ মে থেকে চলবে বাস-লঞ্চ : জেলার মধ্যে

বিজ্ঞাপনে এমপির পরিচয়, বিতর্কে মিমি

আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

একটি বেসরকারি সংস্থার বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপনের জন্য নিজের ‘জনপ্রতিনিধি’ পরিচয় ব্যবহার করলেন যাদবপুরের সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। এমন পরিচয়ের কারণে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।

এমন বিষয়ে বিশ্মিত কলকাতা হাইকোর্টের একাধিক আইনজীবী। মিমি যা করেছেন, তা সাংসদ পদ খারিজ হওয়ার জন্য যথেষ্ঠ। এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক শিবিরের অনেকেই। তবে এই বিষয়ে মিমি বলছেন, তিনি নিয়ম জানতেন না।

বিজ্ঞাপনটি ছিল নারকেল তেলের। বিজ্ঞাপনটিতে মিমি ছাড়াও রয়েছেন বিদ্যা বালান। বিজ্ঞাপনটিতে দেখা যায়, একটি আয়নার সামনে বসে চুল বাঁধছেন মিমি। পিছন থেকে হেঁটে আসছেন বিদ্যা। মিমিকে তিনি প্রশ্ন করছেন, ‘‘এখনও চুল নিয়ে পড়ে?’’ জবাবে মিমি বলছেন, ‘‘আমি এখন জনপ্রতিনিধি। তাই তার যোগ্য হেয়ারস্টাইল।’’ আর এতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিজ্ঞাপনে মিমি কেন নিজের সাংসদের পরিচয় দিবেন!

অথচ যেই ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন নিয়ে এত বিতর্ক সেই ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন মিমি আগেও করেছেন। কিন্তু ওই সংস্থা অতি সম্প্রতি যে নতুন বিজ্ঞাপন বাজারে এনেছে, তাতে মিমি চক্রবর্তী নিজের ‘জনপ্রতিনিধি’ পরিচয় তুলে ধরেছেন।

একটি বাণিজ্যিক ব্র্যান্ডকে মান্যতা পাইয়ে দিতে নিজের ‘জনপ্রতিনিধি’ পরিচয়কে ব্যবহার করছেন কোনও সাংসদ— এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি বলে দাবি করছেন অন্যান্য দলের সাংসদ বা প্রাক্তন সাংসদরা। অতএব যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদের জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক শিবিরে।

এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট অরুণাভ ঘোষ কলকাতার একটি গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘‘কোন সাংসদ এটা করতে পারেন না। ‘জনপ্রতিনিধি’ পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে কেউ এই ভাবে পয়সা রোজগার করতে পারেন না। কেউ যদি চান, তা হলে ‘অফিস অব প্রফিট’ আইনের আওতায় ওই সাংসদের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।’’

মিমি চক্রবর্তীর এই বিতর্কিত বিজ্ঞাপনের বিষয়ে তাঁর নিজের দল অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তৃণমূলের পক্ষ থেকে কেউ বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তবে মিমি বলেছেন, ‘‘আমি এই সব নিয়ম-কানুন একদমই জানতাম না। আমাকে যা পড়তে বলা হয়েছিল, পড়ে দিয়েছি।’’ যে সংস্থার হয়ে তিনি বিজ্ঞাপনটি করেছেন, তাঁদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন বলে মিমি জানিয়েছেন।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
 
Website Design and Developed By Engineer BD Network