২৬শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

শিরোনাম
অসুস্থ ক্যাসিনো সম্রাট পর্যটন স্পট বারেকের টিলায় ভারতীয় গবাদি পশুর চালান আটক অনলাইন সমাবেশ: সাম্প্রদায়িক আক্রমণের প্রতিবাদে ১৫টি দেশের দুই শতাধিক অভিবাসী স্বাক্ষরিত ঘোষণা ভোলায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে নদীতে নামার প্রস্ততি নিচ্ছে জেলেরা ওবায়দুল কাদেরের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে দিনাজপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহাগ ​জেল হাজতে নিসংষভাবে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করলো স্ত্রী ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা প্রণয়নের কাজ শেষ: অপেক্ষা প্রকাশের স্বপ্নের ‘পায়রা সেতু’ উন্মুক্ত : উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ফেসবুকে স্ট্যাটাস লিখে বিজিবি সদস্যের আত্মহত্যা

সংসার কীভাবে চলবে ? ভেবেই ২ শ্রমিকের আত্মহত্যা!

আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

করোনার বিস্তার রোধে গোটা ভারতে লকডাউন ঘোষণা হয়েছে মঙ্গলবার।

লকডাউনের পরই কলকাতায় দুটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, লকডাউনের সময় সংসার কীভাবে চলবে তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় ছিলেন ওই দুই ব্যক্তি।

আর এ কারণে তারা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আত্মঘাতী ওই দুই যুবক ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেডের (বিএসএনএল) চুক্তিভিত্তিক কর্মী।

বিএসএনএলের ঠিকা বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সংগঠন কনট্রাক্টরস ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন অব বিএসএনএলের এক নেতা বলেন, ‘অনটন এবং এই লকডাউনের সময় অনিশ্চয়তার জেরেই আত্মহত্যা করেছেন ওই দুই কর্মী।’

খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার নৈহাটির গরিফায় বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন সুজয় ঘোষ (৪৪)।

তিনি সন্তোষপুর টেলিফোন এক্সচেঞ্জে কাজ করতেন।

সুজয়ের আত্মীয় অপূর্ব ঘোষ বিএসএনএলের ঠিকাকর্মী।

তিনি বলেন, ‘গত ১৩ মাস ধরে সুজয়, আমি– সবাই অন্যদের মতোই রোজ অফিসে যাচ্ছি।

পার্থক্য একটাই– অন্যরা মাসের শেষে বেতন পান, আমরা পাই না।

অপূর্ব জানান, সুজয়ের দুই সন্তান, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে।

স্ত্রী ছাড়াও রয়েছেন বৃদ্ধা মা।

পরিবারের একমাত্র উপাজর্নকারী ছিলেন তিনি।

একদিকে বেতন পাচ্ছিলেন না।

তার ওপর লকডাউন ঘোষণার পর সংসার চলবে কীভাবে তা নিয়ে উৎকণ্ঠায় ছিলেন।

তার দাবি, এসব কারণেই সুজয় আত্মহত্যা করেছেন।

এ ছাড়া গত বারাসত হৃদয়পুরের বাসিন্দা অনুকূল রায় বুধবার আত্মহত্যা করেছেন (৪২)।

অনুকূলও প্রায় এক বছর ধরে বেতন পাচ্ছেন না।

বিএসএনএলের চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সংগঠনের যৌথ ফোরামের নেতা অমিতাভ ভট্টাচার্য বলেন, ‘প্রায় ৫ হাজার মানুষ বেতন পাচ্ছেন না।

তারা কিন্তু প্রায় ২০ বছর ধরে কাজ করছেন।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে।

এই মার্চে একটা সুরাহা হওয়ার আশা ছিল।

কিন্তু তার মধ্যেই করোনা আতঙ্ক এবং লকডাউন।

তার জেরে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।

‘যারা দীর্ঘদিন ধরে বেতন পাচ্ছেন না, তারা বিভিন্ন পথে সামান্য রোজগার করে পরিবার নিয়ে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছিলেন।

কিন্তু তার মধ্যেই এই লকডাউন সেই আয়ের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।’

আর সে কারণেই তারা আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি বিএসএনএল কর্মীদের।

তবে এই দুজনের আত্মহত্যার কারণ কী তা এখনও জানাতে পারেনি কলকাতার পুলিশ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
   
Website Design and Developed By Engineer BD Network