২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, রবিবার

 

ভ্রমণে বমি হলে কী করবেন?

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বাসে বা যে কোনো ধরনের যানবাহনে ভ্রমণের সময় অনেকে বমি করেন। এই বমির সমস্যায় শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা গেলেও সব বয়সীর এই সমস্যা হতে পারে।

ভ্রমণে বমি কেন হয়?

বমির জন্য দায়ী আমাদের অন্তঃকর্ণের সমন্বয়হীনতা। চলন্ত বাসের ঝাঁকুনিতে আমাদের কানের ভেতরের ফ্লুইড নড়াচড়া করে। যার কারণে অন্তঃকর্ণ ব্রেইনকে ইনফরমেশন দেয়, বডি মুভ করে, কিন্তু এদিকে আমাদের চোখ আবার ব্রেইনকে ইনফরমেশন দেয় যে বডি স্থির আছে। শরীর নড়াচড়া করছে না।

দুই রকম ইনফরমেশনের জন্য মস্তিষ্কের সমন্বয়হীনতার সৃষ্টি হয়! আর এ ধরনের অবস্থাকে ব্রেইন বিষ হিসেবে শনাক্ত করে! তাই বিষ কে বডি থেকে বের করে দেয়ার জন্য যাত্রাকালে বমি হয় বা বমি বমি ভাব হয়।
বমির সমস্যা রোধে করণীয়

১. বাসে বসে ঘুমিয়ে গেলে বমি হয় না। কারণ চোখ তখন ইনফরমেশন দেয় না; ফলে ব্রেইনে কোনো কনফিউশন তৈরি হয় না! ঘুম না এলেও হালকাভাবে দুচোখ বন্ধ করে রাখুন।

২. যানবাহনে ভ্রমণের সময় জানালা দিয়ে বাইরে তাকান। সামনের দিকে বা জানালার কাছে আসন নিন। জানালাটা খুলে দিন। ঠাণ্ডা বাতাস লাগবে শরীর ভালো লাগবে।

৩. ভ্রমণের সময় বই, পত্রিকা পড়লে বমির সমস্যা হতে পারে। তাই কোনো কিছু পড়া থেকে বিরত থাকুন।

৪. গাড়িতে আড়াআড়িভাবে বা যেদিকে গাড়ি চলছে, সেদিকে পেছন ফিরে বসবেন না। এতে মাথা ঘোরা ও বমির সমস্যা হতে পারে।

৫. যাত্রা শুরুর আগে ভরা পেট খাবেন না বা পানি পান করবেন না।

৬. কিছু ওষুধ আছে, যা খেলে বমিভাব বন্ধ করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শমতো তা সেবন করতে পারেন।

৭.গাড়িতে বসে আদা কিংবা চুইংগাম চিবালেও উপকার পাওয়া যায়।

লেখক: ডা. মো. আব্দুল হাফিজ (শাফী)
বিসিএস (স্বাস্থ্য)
নাক-কান-গলা বিভাগ
বিএসএমএমইউ (প্রেষণে), ঢাকা।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
Website Design and Developed By Engineer BD Network