২৫শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

 

টেস্টোস্টেরন বাড়ায় যেসব খাবার

আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০২০

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

জিয়াদ মল্লিক
টেস্টস্টোরেন শব্দটি সম্পর্কে আপনি নিশ্চয়ই অবগত। টেস্টস্টোরেন কি? টেস্টস্টোরেনের কাজ কি? টেস্টস্টোরেন কমে গেলে কি হয়? প্রশ্নত্তর গুলো আশাকরি আপনি জানেন। আর যারা না জানলে ইইটিউবে “টেস্টস্টোরেন হরমোন” লিখে সার্চ করলে শত শত ভিডিও পাবেন; যা দেখলেই বুঝতে পারবেন পুরুষের টেস্টস্টোরেন কেনো প্রয়োজন। তাই বয়ান বাদ দিয়ে মূল টপিকে আসি-

মধু

মধুতে আছে প্রাকৃতিক নিরাময়কারী উপাদান বোরোন। এই খনিজ উপাদান টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়াতে এবং নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা ঠিক রাখে। যা ধমনী সম্প্রসারণ করে লিঙ্গোত্থানে শক্তি সঞ্চার করে।

মধু তো খাবেন কিন্তু খাটি মধু কোথায় পাবেন? চারিদিকে ভেঁজাল? নো টেনশন! ফখরুল ইসলাম ভাইয়ের lalsalu.shop থেকে খাটি মধু খান পারফর্মেন্স বাড়ান।

বাঁধাকপি

এই সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। আরও আছে ইনডোল থ্রি-কার্বিনল। এই উপাদান স্ত্রী হরমোন ওয়েস্ট্রজেনের পরিমাণ কমিয়ে টেস্টোস্টেরন বেশি কার্যকর করে তোলে।

রসুন

রসুনের আলিসিন যৌগ মানসিক চাপের হরমোন করটিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে টেস্টোস্টেরন ভালোমতো কাজ করে। ভালো ফল পেতে রসুন কাঁচা খাওয়ার অভ্যেস করুন।

ডিম

ডিমে আছে স্যাচারেইটেড ফ্যাট, ওমেগা থ্রিএস, ভিটামিন ডি, কলেস্টেরল এবং প্রোটিন। টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরির জন্য এই উপাদানগুলো জরুরি।

কলা

এই ফলের ব্রোমেলেইন এনজাইম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। আর দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহের উৎস হিসেবে কাজ করে।

কাঠবাদাম

নারী এবং পুরুষ উভয়ের ‘সেক্স ড্রাইভ’য়ের জন্য প্রতিদিন এক মুঠ কাঠবাদাম যথেষ্ট। এই বাদামে রয়েছে জিঙ্ক যা টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ায় আর কামবাসনা বৃদ্ধি করে।

ঝিনুক

টেস্টোস্টেরন তৈরিতে জিংক গুরুত্বপূর্ণ। ঝিনুকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ খনিজ উপাদান। যা টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। ঝিনুক অপছন্দ? তাহলে বিকল্প হতে পারে চিজ বা পনির। বিশেষ করে সুইস এবং রিকোত্তা চিজ।

টক ফল

‘স্ট্রেস হরমোন’ কমানোর পাশাপাশি টকজাতীয় ফলে রয়েছে ভিটামির এ। যা টেস্টোস্টেরন উৎপন্ন করতে প্রয়োজন হয়। এছাড়া ওয়েস্ট্রজেনের মাত্রা কমায় অর্থাৎ পুরুষ হরমন ভালোমতো কাজ করতে পারে।

পালংশাক

এটা প্রমাণিত যে, ওয়েস্ট্রজেনের মাত্রা কমাতে পারে এই শাক। তাছাড়া আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি এবং ই। আর এসবই টেস্টোস্টেরন তৈরির উপাদান।

আঙুর

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একথোক লাল আঙুর খাওয়া গেলে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, শুক্রাণুর তৎপতরতা উন্নত করে আর শক্তিশালী করে।

ডালিম

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ইম্পোটেন্স রিসার্চ থেকে জানা যায় যৌন কর্মে অক্ষম পুরুষদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ যারা প্রতিদিন ডালিমের রস খেয়ে থাকেন তাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

গোসত

বিশ্বাস করা হয় যারা একেবারেই মাংস খান না তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কম থাকে। তবে অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার আগে সাবধান। যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান গরু ও ভেড়ার মাংস দিয়ে তৈরি খাবারে প্রচুর স্যাচারেইটেড ফ্যাট থাকে।

কবি ZEADদ্রুল বলেছেন-

কি যাতনা ই’সে
বুঝিবে সে কিসে?
কভু শিশ্নবিষে দংশেনি যে!

জিয়াদ মল্লিক
শিক্ষার্থী, ইসলামিক ইতিহাস,
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
31.10.2020

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
 
Website Design and Developed By Engineer BD Network