৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন

আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগ সরকারের একযুগের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীদের জন্য এর আগে দেশের উন্নয়ন সম্ভব হয়নি।

আজ রবিবার (২৯শে আগস্ট) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা না থাকায় নানা উন্নয়ন প্রকল্প স্থগিত করে রেখেছিল বিএনপি সরকার।

 

১২ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের নানা উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগের একটি মাইলফলক তৈরি করতে চায় বর্তমান সরকার। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যাতে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে সেজন্য ঢেলে সাজানোর কথাও বলেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে বাড়ানোর ফলে বোয়িংয়ের মতো বড় উড়োজাহাজ সেখানে নামতে পারবে এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে। আর তা হলে কক্সবাজার হবে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

 

তিনি বলেন, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বালুকাময় সমুদ্রসৈকতে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ‘স্পেশাল জোন’ করা হবে। যেখানে শুধু বিদেশিরা আসতে ও যেতে পারবেন। তারা যেন তাদের মতো করে সবকিছু উপভোগ করতে পারেন সে ব্যবস্থা করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সালের পরের সরকার বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করত। যার কারণে কক্সবাজারকে ঘিরে তারা কিছুই করেনি। বরং তারা নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। সেখান থেকে নতুন করে কক্সবাজারকে ঘিরে পরিকল্পনা হাতে নেই। আস্তে আস্তে সবই দৃশ্যমান হচ্ছে।

 

কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন শহর করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে গড়ে উঠেছে দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ সড়ক। এটিকে চট্টগ্রামের মিরসরাই পর্যন্ত সম্প্রসারণের কাজ চলছে। রেললাইনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও পৌঁছে গেছে। এসব পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে কক্সবাজার- যেমনটা জাতির পিতা চেয়েছিলেন।

 

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানায়, বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নয় হাজার ফুট দীর্ঘ একটি রানওয়ে রয়েছে। এটি ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর মধ্যে এক হাজার ৩০০ ফুট থাকবে সমুদ্রের মধ্যে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের মহেশখালী চ্যানেলের দিকে জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে সম্প্রসারিত হচ্ছে এই রানওয়ে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নতুন প্রজন্মের উড়োজাহাজ বোয়িং-৭৭৭-৩০০ ইআর, ৭৪৭-৪০০ ও এয়ারবাসের মতো উড়োজাহাজ সহজেই ওঠানামা করতে পারবে। প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। যার পুরোটাই অর্থায়ন করছে বেবিচক।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
   
Website Design and Developed By Engineer BD Network