২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

মির্জাগঞ্জে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী সেই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৬নং মজিদবাড়ীয়া ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক সুমন খান কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল-নাহিয়ান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখন ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ দেখিয়ে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক রাকিব মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত শনিবার (৯ অক্টোবর) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মির্জাগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা মোসাঃ শারমিন বেগম। পরে ঐদিন বিকালে সরকারী নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল রিপোর্টএকাত্তর ডককম এ “মির্জাগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষনের চেষ্টায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলাথথ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর (১০) গ্রামের বাড়ি উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামে। তার মেঝ খালার বাসায় থেকে ভয়াং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীতে লেখাপড়া করে। অভিযুক্ত সুমন খান ভুক্তভোগীর খালার ফুফাত ভাই হওয়ার সুবাদে বাসায় প্রায়ই আসা-যাওয়া করত। ঘটনার দিন (৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় সুমন খান ঐ বাসায় এসে ভুক্তভোগীর খালা কোথায় জানতে চাইলে সে বলে মামা বাড়ি গেছে। তখন সে পান খাবে বলে ভুক্তভোগীকে পান আনতে বলে। তারপর সে পান নিয়ে আসলে তার খালা বাসায় না থাকার সুযোগে তার মাথার ব্যান্ড টেনে নেয় সুমন। পরে ব্যান্ড চাইতে গেলে সুমন কিশোরীর মুখ চেপে ধরে পরনের কাপড় খুলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় কিশোরীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সুমন খান পালিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২০ সালের ৬মে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ভিত্তিতে সুমনকে আটক করে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে বিয়ের মুচলেকায় মুক্ত হয়ে ঐ মেয়েকে বিয়ে করে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
   
Website Design and Developed By Engineer BD Network