২২শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

মির্জাগঞ্জে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ

আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২১

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৪নং দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার মার্কার প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন খান কে নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ এনে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন খান বলেন, আমি দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য সচিব ছিলাম ও উপজেলা আওয়ামী লীগ আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলাম। বর্তমানে আমি মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আমাকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন দিয়েছেন। তখনও একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। আমি এবং আমার পরিবার সারাজীবন জনগনের সেবক হিসেবে কাজ করেছি এবং আমার পরিবারের সবাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী। আমার আপন ভাগিনা খান মোঃ আবু বকর সিদ্দিকী মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক ও পরে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলো ২০০৩-২০১২ সাল পর্যন্ত। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে সে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক ও মির্জাগঞ্জ উপজেলা উপজেলা পরিষদের পরপর দু’বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান।

তিনি আরো বলেন, ১৯৯১ সালে যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিলো তখন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে কোনো প্রার্থী নির্বাচনে আসতে রাজি না হলে খান পরিবার থেকে আমার ভাতিজা মো.দেলোয়ার হোসেন খানকে দলীয় সমর্থন দিয়ে নির্বাচন করানো হয় এবং সে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়। পরে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে ১৯৯৭ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবারও আমার ভাতিজা মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান বিপুল ভোটে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। এরপর ২০০১ সালের বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ২০০২ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কেউ ভয়ে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হয়নি, তখনও আমার ভাতিজা মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান কে আবারও আওয়ামীলীগের প্রার্থী করা হয় এবং সেই নির্বাচনে সকাল আটটার মধ্যে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ভোট ডাকাতির মাধ্যমে নির্বাচিত হন।

আমার রাজনৈতিক জীবন বৃত্তান্ত বিষয় মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দীন জুয়েল বেপারি স্বাক্ষরিত একটি প্রত্যয়ন ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কর্তৃক একটি প্রত্যয়ন দিয়েছেন।

প্রত্যয়ন সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে তৎকালীন বি.এন.পি সরকারের পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী উপজেলা বি.এন.পি সাধারণ সম্পাদক মোবারক আলী মুন্সিকে দলীয় মনোনয়ন দিলে তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন খানের ভাতিজা মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান আওয়ামীলীগ মনোনীত হয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করলে সকাল ৯ ঘটিকার মধ্যে ভোট ডাকাতি করিয়া নিয়া যায় এবং বি.এন.পি প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষনা করে দেলোয়ার হোসেন খানকে পরাজিত করা হয়।

২০০১ সালে যখন জামাত-বি.এন.পি সরকার ক্ষমতায় ছিল তখন মির্জাগঞ্জ উপজেলা শহরে কেউ আওয়ামীলীগের অফিসের জন্য ঘর ভাড়া দিতে রাজি হয়নি। তখন সুবিদখালী বাজারের ভিতরে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন খানের বানিজ্যিক দোকান ঘর থেকে ভাড়াটিয়া নামিয়ে আওয়ামীলীগসহ সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের অফিসের জন্য ২০১১ সাল পর্যন্ত বিনা ভাড়ায় দলীয় কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

প্রত্যয়নের আরও বলা হয়, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন খান বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সে দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের মাঠ পর্যায়ের জরিপে জনপ্রিয়তার বর্তমানে শীর্ষে আছে। মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে দলীয় কার্যক্রম সুচারুরূপে মেধা ও শ্রম দিয়ে দল পরিচালনা করিয়া আসছে এবং তিনি এলাকায় একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি। তিনি বিভিন্ন জনসেবামূলক কাজে নিয়োজিত আছেন।

মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন খান বলেন, একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে যা কিছু রটিয়েছে এবং বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে আমাকে নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি এগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
   
Website Design and Developed By Engineer BD Network