১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

আর্ন্তজাতিক গ্রামীন নারী দিবস ২০২৩ ইং পালন উপলক্ষে দিনাজপুরে মানববন্ধন, র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২৩

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

রফিকুল ইসলাম ফুলাল দিনাজপুর প্রতিনিধি :
“গ্রামীন নারীদের ভুমিকা ও অবদান-যথাযথ স্বীকৃতি এবং মর্যাদা প্রদান“ শ্লোগান নিয়ে আর্ন্তজাতিক গ্রামীন নারী দিবস পালন উপলক্ষে দিনাজপুরে মানববন্ধন, র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৫ অক্টোবর রবিবার সকালে বাদাবন এর সহযোগীতায় এবং ওমেন্স ল্যান্ড রাইটস্ নেটওয়ার্কের আয়োজনে দিনাজপুর সদরের রাজবাটী – শেরশাহ মোড় বটতলি সড়কের রাজবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে মানববন্ধন করেছে সংগঠনের নারী সদস্যরা। এরপরে তারা র‌্যালী শেষে সংগঠনের স্থানীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আমরা আজ আর্ন্তজাতিক গ্রামীন নারী দিবসের শুভ লগ্নে গ্রামীণ নারীদের কর্ম এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দ্বিধাদ্বন্ধ ছাড়াই একযোগে সম্মিলিতভাবে কাজ করবো এই শপথ নিতে চাই এবং কেউ কখনো নিজের স্বার্থে সংগঠনের স্বার্থ বিরোধী কোনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করবো না। তারা আরো বলেন, নিজের এবং অপরের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা পরস্পর একক শক্তিতে পরিনত হব। সভায় নি¤œ বর্ণিত লক্ষ গুলো বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগীতা প্রত্যাশা করা হয়।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গ্রামীন নারীর অবদান অনস্বীকার্য। ঘরের কাজ সামলিয়ে নারীরা এখন বিভিন্ন কর্মের মধ্যে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছে। বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ আর সেক্ষেত্রে এই খাত যারা সচল রেখেছে তার ৫৩ শতাংশই নারী। নারীরা কৃষিকাজের ২১টি ধাপের মধ্যে ১৭টির ধাপের সাথে জড়িত। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ খাদ্যে স্বয়ংসর্ম্পূনতা অর্জনে নারীর ব্যাপক অবদান রয়েছে। গ্রামীন নারীরা কৃষিকাজে পুরুষের পাশাপাশি সমানভাবে বিভিন্ন কাজে অবদান রাখলেও তারা তেমন কোনো পারিশ্রমিক পায় না, নারী কৃষক হলেও তাদের কোনো স্বীকৃতি নাই। কিছু নারী কৃষক হিসিবে স্বীকৃত হলেও পাচ্ছেন না কোনো ধরনে সুযোগ সুবিধা। দেশের ৭৭ শতাংশ নারী তাদের কাজের কোনো মুল্যায়ন বা স্বীকৃতি পাচ্ছেন না। তাই আমরা উন্নয়নমুখী ও কর্মক্ষম স্বনির্ভর নারী বান্ধব সরকারের কাছে গ্রামীন নারীদের মুক্তির জন্যে নি¤েœর ৪ দফা দাবীর যর্থাথ বাস্তবায়ন চাই।

দাবী গুলো হচ্ছে ০১. ভুমির কাজে এবং ভুমি রক্ষায় নারীর অংশগ্রহন এবং অবদান অনস্বীকার্য্য তাই নারীর ভুমির উপর মালিকানা প্রয়োজন, ০২. কৃষিকাজে ন্যায্য মুল্যায়ন ০৩. নারী কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান এবং সরকারের কৃষি প্রণোদনায় সমান অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ০৪. দক্ষ নারী কৃষককে আলাদা করে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে।

এসময় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আদিবাসী নারী পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক রানী হাঁসদা, কোষাধ্যক্ষ শিবানী উড়াও, আর টি আই সদস্য মারুফা বেগম, নারী মুক্তি সংগঠনের বীণা কুজুর এবং উড়াও পাড়া র্কীতণ দলের সভাপতি প্রদীপ মিনজী প্রমুখ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
     
Website Design and Developed By Engineer BD Network