১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

শিরোনাম
তেলবাহী লড়ি উল্টে গিয়ে আগুন লেগে এক জনের মৃত্যু। ভূমি বিষয়ক তথ্যাদি স্কুলের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করো হয়েছে-ভূমিমন্ত্রী মির্জা ফকরুলরা তারেক জিয়ার নির্দেশে জনগনের সাথে প্রতারনা ও তামশা করছে-আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিগ বার্ড ইন কেইজ: ২৫ শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুর গ্রেফতার  ঢাবি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ১ কোটি টাকার বৃত্তি ফান্ড গঠিত হাইকোর্টের রায়ে ডিন পদে নিয়োগ পেলেন যবিপ্রবির ড. শিরিন জয় সেট সেন্টার’ থেকে মিলবে প্রশিক্ষণ, বাড়বে কর্মসংস্থান: পীরগঞ্জে স্পীকার বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস আগামীকাল টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সাদি মোহম্মদ আর নেই

রংপুরে ক্লিনিকের বিল পরিশোধ করতে নবজাতক বিক্রি, পরিচালকসহ গ্রেফতার-৩

আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৪

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

রিয়াজুল হক সাগর,রংপুর প্রতিনিধি:
রংপুরে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে জোরপূর্বক নবজাতক বিক্রির ঘটনায় ক্লিনিক পরিচালকসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা হলো, রংপুর নগরীর বাবুখাঁ কামারপাড়ার নজির উদ্দিন সরকারের ছেলে হলিক্রিসেন্ট ক্লিনিকের পরিচালক পল্লী চিকিৎসক এমএস রহমান রনি (৫৮), পীরজাবাদ এলাকার সামসুল ইসলামের ছেলে রুবেল হোসেন রতন (৩০) ও রতনের স্ত্রী জেরিনা আক্তার বিথী (৩০)। রবিবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ বিভাগ কার্যালয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানান, রংপুর নগরীর বুড়ারঘাট এলাকার ওয়াসিম আকরামের স্ত্রী লাবনী’র (২২) গত ১৩ জানুয়ারী প্রসব বেদনা নিয়ে হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই রাতে সিজারের মাধ্যমে তিনি একটি ছেলে সন্তান জন্ম দেন। এর তিনদিন পর ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ লাবনী ও তার স্বামীকে বিল পরিশোধের জন্য চাপ দিতে থাকে। ওয়াসিম ও লাবনী দম্পতির অস্বচ্ছলতাকে পুঁজি করে ক্লিনিকের পরিচালক এমএস রহমান রনি তার পূর্ব পরিচিত জেরিনা আক্তার বিথী ও তার স্বামী রুবেল হোসেন রতনের ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে নবজাতককে বিক্রি করে দেয়। এতে সহযোগিতা করে লাবনীর স্বামী ওয়াসিম। এ ঘটনায় দিশেহারা লাবনী মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ রবিবার নগরীর পীরজাবাদ এলাকা থেকে নবজাতককে উদ্ধারসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করে। নবজাতক বিক্রির ঘটনার সাথে জড়িত লাবনীর স্বামী ওয়াসিমকে গ্রেফতারে পুলিশের তৎপরতা অব্যহত রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। রবিবার আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন বলেন, আমরা তথ্য পাওয়ার পরপরই নবজাতক উদ্ধারসহ আসামীদের গ্রেফতার করি। এমএস রহমান রনি ভুক্তভোগী লাবনীর পূর্ব পরিচিত। লাবনীকে তার হাসপাতালে ভর্তি করেন এবং পরবর্তীতে ক্লিনিক বিল পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার অযুহাতে নবজাতকটিকে বিক্রি করে দেন। আমরা লাবনীর স্বামী পলাতক ওয়াসিমকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন
     
Website Design and Developed By Engineer BD Network